Saturday, 30 January 2016

HTML এবং PHP শিখুন - ৮

যখন ফর্মে কোনও ডাটা দিয়ে সেটা পোস্ট বা সাবমিট করা হয়, তখন সেই ডাটাগুলো ওয়েব সার্ভারে গিয়ে কোনও ডাটাবেজে সেভ হয় এবং প্রদত্ত ডাটাগুলোর ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী পেজটি ডিসপ্লে হয় । আসুন আমরা HTML ফর্ম কিভাবে তৈরি করতে হয় এবং এর মধ্যে কি কি এলিমেন্ট বা উপাদান রয়েছে, তা দেখি । form ট্যাগটি দিয়ে HTML ফর্মের শুরু এবং form ট্যাগটি দিয়ে শেষ করতে হয় । ফর্ম ট্যাগের মূল Attribute গুলো হল name, method ও action.


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-8.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon) 

HTML এবং PHP শিখুন - ৭

প্রোগ্রামিং এ ভ্যারিয়েবলের গুরুত্ব অপরিসীম । ভ্যারিয়েবল কি? ভ্যারিয়েবল হল একটি কন্টেইনার বা পাত্রের মত, যা ডাটা ধারণ করে । ভ্যারিয়েবল কি কাজে লাগে? কোনও ডাটা তাৎক্ষণিকভাবে সংরক্ষণ করতে এবং তা পরে ব্যবহার করতে ভ্যারিয়েবলের প্রয়োজন হয় । ভ্যারিয়েবলের একটি নাম থাকে এবং ইকুয়াল (=) সাইন দিয়ে তার মধ্যে ডাটা রাখা হয় ।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-7.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon)

HTML এবং PHP শিখুন - ৬

গত পর্বে আমরা একটি PHP পেজ তৈরি করেছিলাম । এবার আমরা পেজটির কোডগুলো একটু বিশ্লেষণ করি । প্রথমে আমরা p এবং h2 ট্যাগ দুটো দিয়ে শুরু করেছি, যা HTML ট্যাগ । তারপর লিখেছিলাম, <?php , এটাই হল PHP র কোড শুরু করার ট্যাগ, অর্থাৎ এই অংশের ভেতর PHP র কোড রয়েছে । আগে এটাকে <? , এভাবেও লেখা হতো, তবে এখন <?php ট্যাগটাই স্ট্যান্ডার্ড, আর <? ট্যাগটা অবসোলেট ।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-6.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon) 

HTML এবং PHP শিখুন - ৫

আশা করি সবাই HTML টিউটোরিয়ালের পর্বগুলো পড়ে নিয়েছেন এবং আয়ত্ত করেছেন। বা ধরে নিচ্ছি, আপনি HTML আগে থেকেই পারতেন। এবার আমরা PHP শুরু করবো।

PHP হলো একটি সার্ভার সাইডেড স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এটা দিয়ে শুধু ওয়েব প্রোগ্রামিং করা যাবে, কিন্তু C বা JAVA র মত ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশান তৈরি করা যাবে না। PHP দিয়ে ক্লায়েনট সাইড স্ক্রিপ্টও তৈরি করা যাবে না, যেমনটা JAVASCRIPT দিয়ে করা যায়। তবে PHP দিয়ে HTML কোড বা JAVASCRIPT কোড পাবলিশ করা যাবে। যা হোক, সেসব আমরা আস্তে আস্তে দেখবো।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-5.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon) 

HTML এবং PHP শিখুন - ৪

আপনি যখন কোন ওয়েব সাইটের অ্যাড্রেস লিখে উক্ত ওয়েব সাইটটিতে প্রবেশের চেষ্টা করেন, তখন আপনি কোন পেজের নাম নির্দিষ্ট করে না দিলেও আপনার সামনে ঠিকই উক্ত ওয়েব সাইটটির মেইন পেজটি চলে আসে। যেমন আপনি http://www.yahoo.com লিখে ব্রাউজ করলে ইয়াহু ওয়েব পোর্টালটির মেইন পেজটি চলে আসবে।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-4.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon) 

HTML এবং PHP শিখুন - ৩

আপনি নিশ্চয়ই HTML পেজে ইমেজ সংযুক্তিকরণ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী? আপনি যদি এই টিউটোরিয়ালটির পূর্বের পর্বগুলো ঠিকমত পড়ে ও চর্চা করে থাকেন, তাহলে আপনার কাছে HTML পেজ তৈরী করা এখন কোন কঠিন কাজ নয়। যাই হোক, চলুন এবার আমরা দেখি কিভাবে HTML পেজে ইমেজ ডিসপ্লে করা যায়।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-3.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon) 

HTML এবং PHP শিখুন - ২

ওয়েব সার্ভারগুলোতে শক্তিশালী হার্ডওয়্যার আর অপারেটিং সিস্টেম থাকলেই সেটি সম্পূর্ণরূপে ওয়েব সার্ভার হয়ে ওঠে না। পরিপূর্ণ ওয়েব সার্ভার রূপে আত্মপ্রকাশ করতে চাইলে এতে একটি ভালো ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার ইন্সটলড থাকা প্রয়োজন।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-2.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon) 

Friday, 29 January 2016

HTML এবং PHP শিখুন - ১

HTML মূলতঃ ওয়েবপেজ তৈরীর কাজে লাগে। আপনি হয়তো ইতিমধ্যেই Microsoft FrontPage বা Macromedia DreamWeaver দিয়ে আপনার পুরো ওয়েবসাইটটি তৈরী করে ফেলেছেন, অথচ আপনার HTML ল্যাঙ্গুয়েজ সম্পর্কে খুব একটা ভালো ধারণা নেই।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
HTML & PHP Tutorial-1.pdf




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon)

দ্রুত পিং করার কৌশল


আমাদের দেশে যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করেন, তাদের প্রায়শই পিং প্রোগ্রামটি দ্বারা তাদের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের DNS, Gateway কিংবা Proxy সার্ভারকে পিং করে কানেকটিভিটি চেক করে দেখতে হয়। কারণটা হচ্ছে আমাদের দেশের উন্নতমানের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় প্রায়ই কানেকশন থাকে না!


যাহোক, যারা পিসি শাটডাউন করার পূর্বে নিয়মিত হিস্টোরি মুছে ফেলেন (কেউ কেউ কিছুক্ষন পর পরই মুছে ফেলেন), তাদের জন্য বার বার লম্বা পিং রিকোয়েস্টটি টাইপ করা কিছুটা ঝামেলার কাজই বটে। কেমন হয় যদি RUN এ গিয়ে শুধু p লিখে এন্টার চাপলেই অটোমেটিক্যালি আপনার NDS, Gateway বা Proxy সার্ভারকে পিং করার ব্যবস্থা করা যায়? তাহলে চলুন, কথা না বাড়িয়ে নিজে নিজেই করে দেখা যাক।


নোটপ্যাড ওপেন নিচের লাইন দুটি ঝটপট লিখে ফেলুন।


@echo off

ping 192.168.1.1


এবার ফাইলটি আপনার C ড্রাইভের WINDOWS বা WINNT ফোল্ডারে সেভ করুন “p.bat” নাম দিয়ে (NTFS ফাইল সিস্টেমের ক্ষেত্রে যথাযথ Authorization থাকাটা বাঞ্ছনীয়)। এখানে আমি sample DNS সার্ভারের এড্রেস ব্যবহার করেছি, অর্থাৎ 192.168.1.1 । তাই উক্ত এড্রেসটি মুছে ফেলে তার জায়গায় আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের DNS, Gateway কিংবা Proxy এড্রেস ব্যবহার করুন।


আপনি যদি ইনফিনিট পিঙ্গিং করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে DNS, Gateway কিংবা Proxy এড্রেসটির পরে –t অপশনটি লিখতে হবে, যেমনঃ ping 192.168.1.1 –t । এক্ষেত্রে পিঙ্গিং বন্ধ করার জন্য Ctrl+C একত্রে চাপুন, তারপর y চেপে এন্টার দিন।


এবার Window Button + R একসাথে চেপে RUN ওপেন করুন, তারপর p লিখে এন্টার দিন।

এই মুহূর্তে আপনি ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত আছেন কিনা তা জানার জন্য আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের DNS, Gateway কিংবা Proxy সার্ভারের এড্রেস পিং করার পরিবর্তে google.com, yahoo.com বা msn.com অথবা যেকোনো ওয়েব সাইটের এড্রেস পিং করুন। unknown host মেসেজটি দেখালে বুঝবেন আপনি এই মুহূর্তে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নন।




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon)

জাভা টিউটোরিয়াল - ১

আজ জাভা নিয়ে কিছু কথা বলবো। জাভা একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। জাভা অর্থ কফি। তাই জাভার লোগো হিসেবে একটি ধোঁয়া উঠা কফির কাপ ব্যবহার করা হয়। জাভা ল্যাঙ্গুয়েজটি এত জনপ্রিয় কারণ এটি ক্রস প্লাটফর্ম। অর্থাৎ উইন্ডোজ, লিনাক্স, সোলারিস, ম্যাকিনটোস সকল অপারেটিং সিস্টেমে এটি দিয়ে তৈরি প্রোগ্রাম সমান তালে চলে। যদিও পার্ল, পাইথন ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলোও ক্রস প্লাটফর্ম, কিন্তু এগুলো জাভার মত এতটা শক্তিশালী নয়। এগুলো স্ক্রিপটিং ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে পরিচিত আর এদের লাইব্রেরি জাভার মত বিশাল নয়।


বাকী অংশ পড়ার জন্য নিচের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।

Java Tutorial-1.pdf





লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon)

একটি কম্পিউটার এসেম্বেল করার জন্য কি কি যন্ত্রাংশ প্রয়োজন

ক্যাসিংঃ ক্যাসিং হল কঠিন আবরন, যা আপনার কম্পিউটারের যন্ত্রাংশগুলোকে ঢেকে রাখে। ক্যাসিং এর ভিতরে একটি পাওয়ার সাপ্লাই থাকে, যা থেকে কম্পিউটারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ক্যাসিং এ এক্সট্রা কুলিং ফ্যানও থাকতে পারে। ক্যাসিং একটু বড় আর ভিতরে জায়গা বেশী দেখে কেনাই ভালো।


মাদারবোর্ডঃ এটি আপনার কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ। এর উপরেই অন্যান্য যন্ত্রাংশগুলো বসানো হয়। একটু বেশী দাম দিয়ে ভালো মানের মাদারবোর্ড কিনবেন। আর অধিক স্লট দেখে নিবেন, যাতে করে ভবিষ্যতে কোনও এক্সট্রা যন্ত্রাংশ লাগাতে গিয়ে স্লটের কমতি না পড়ে।


প্রসেসরঃ এটি আপনার কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ প্রসেস করে। এটার কোর যত বেশী হবে, একসাথে এটি ততবেশি কাজ সম্পাদন করতে পারবে। যেমন ডুয়েল কোরের প্রসেসর পাশাপাশি দুটি কাজ সমান তালে করে।

র‍্যামঃ র‍্যাম আপনার কম্পিউটারের ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি হিসেবে কাজ করে। আপনার কম্পিউটারের RAM যত বেশী হবে, আপনি একইসাথে ততবেশি প্রোগ্রাম ওপেন করে রাখতে পারবেন।


হার্ড ডিস্কঃ হার্ড ডিস্ক হল আপনার কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি। অর্থাৎ আপনি কোনও কাজ সম্পাদনা করে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষন করলে সেটা থেকে যাবে, মুছবে না। হার্ড ডিস্কের জায়গার হিসেবটা হল এরকম- ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (KB), ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB), ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB) আর ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)। বর্তমানে একটি ভালো মানের ভিডিও গানের সাইজ ১০০ থেকে ১৫০ মেগাবাইট আর ডিভিডিতে মুভি ধরে ৪.৫ গিগাবাইট থেকে ৭.৫ গিগাবাইট পর্যন্ত। তাই হার্ড ডিস্ক কেনার সময় ৫০০ গিগাবাইট বা ১ টেরাবাইট কিনুন, পরে কাজে লাগবে।


মনিটরঃ কম্পিউটারে যেসকল কাজ সম্পাদনা করা হয়, তার আউটপুট আসে মনিটরের মাধ্যমে। এখন অনেক ধরণের প্রশস্ত LCD বা LED মনিটর কিনতে পাওয়া যায়।


কি-বোর্ডঃ কি-বোর্ড ব্যতীত আপনি কম্পিউটারে কিছুই লিখতে পারবেন না। তাই এটি কেনা আবশ্যক।


মাউসঃ মাউসও কিবোর্ডের মত জরুরি একটি যন্ত্রাংশ। দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে চাইলে এটি আপনার কম্পিউটারে প্রয়োজন হবেই।


অপারেটিং সিস্টেমঃ সবশেষে অপারেটিং সিস্টেম। এটি ইন্সটল না করলে আপনার কম্পিউটার চলবেই না। আমরা এটা কিনি না, কারণ যে দোকান থেকে আমরা কম্পিউটার ক্রয় করি, সেখান থেকেই আমাদেরকে একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমের পাইরেটেড কপি ইন্সটল করে দেওয়া হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হল উইন্ডোজ এক্সপি এবং উইন্ডোজ ৭। উন্নত দেশগুলোতে অপারেটিং সিস্টেম আলাদাভাবে ক্রয় করে ইন্সটল করতে হয়।


তো মোটামুটি এই হল একটি কম্পিউটার চালানোর যন্ত্রাংশ। এগুলো হলেই একটি কম্পিউটার দিয়ে কাজ করা যাবে। যদিও আমরা নিজেদের সুবিধার্থে অনেক অপশনাল যন্ত্রাংশ লাগিয়ে নেই। যেমনঃ


অপটিক্যাল ড্রাইভঃ সিডি বা ডিভিডি চালানোর জন্য সিডি বা ডিভিডি রম লাগিয়ে নিতে হবে। আর সিডি বা ডিভিডিতে তথ্য সংরক্ষণ করতে চাইলে সিডি বা ডিভিডি রাইটার লাগিয়ে নিতে হবে।


সাউন্ড কার্ডঃ কম্পিউটারে উদ্ভূত শব্দগুলো শোনার জন্য সাউন্ড কার্ড লাগিয়ে নিতে হবে। যদিও এখনকার মাদারবোর্ড গুলোতে সাউন্ড কার্ডের চিপ লাগানোই থাকে। তাই আলাদা করে কেনার প্রয়োজন হয়না।


স্পিকারঃ স্পিকার হল শব্দ বের হওয়ার আউটপুট ডিভাইস। এটি আপনার কম্পিউটারে সংযুক্ত না করলে সাউন্ড কার্ডের মাধ্যমে উদ্ভূত শব্দগুলো আপনি শুনতে পাবেন না।


গ্রাফিক্স কার্ডঃ এটিও আলাদা করে কেনার প্রয়োজন হয়না। মাদারবোর্ড গুলোতে গ্রাফিক্স কার্ডের চিপ লাগানোই থাকে। আপনি ডিজাইনিং এর কাজ করলে বা ভালো ভালো গেম খেলতে চাইলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে হবে।


মডেম/ল্যান কার্ডঃ আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই মডেম বা ল্যান কার্ড কিনে লাগিয়ে নিতে হবে।


প্রিন্টারঃ আপনি কম্পিউটারে আপনার সম্পাদিত কাজগুলো বাসায় বসেই প্রিন্ট করতে চাইলে আপনাকে প্রিন্টার কিনতে হবে।


স্ক্যানারঃ আপনি আপনার কম্পিউটারে কোনও ছবি বা ডকুমেন্ট ঢোকাতে চাইলে আপনাকে স্ক্যানারের মাধ্যমে স্ক্যান করে ঢোকাতে হবে।


এছাড়াও আরও অনেক যন্ত্রাংশ কম্পিউটারে সংযোগ করা যায়। যেমনঃ ওয়েবক্যাম, হেডফোন, ব্লুটুথ, বারকোড রিডার, টিভি কার্ড ইত্যাদি।




লেখকঃ আহসানুল হক শোভন (Ahsanul Haque Shovon)